Skip to main content

যৌন মিলনের সময় ছেলেদের করা মারাত্মক কিছু ভূল !

দাম্পত্য জীবন হলো প্রতিটা পুরুষ এবং নারীর জন্য বহুল প্রত্যাশিত এক জীবন। এই জীবন সুন্দর, স্বর্গীয় এবং পূর্ণতা লাভ করে স্বামী স্ত্রীর দৈহিক মিলনের মাধ্যমে। এর জন্য নারী পুরুষ উভয়েরই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অবদান রয়েছে। কিন্তু যৌনতা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকায় পুরুষরা শুরুতেই মারাত্মক কিছু ভূল করে থাকেন যা তাদের বয়ে বেড়াতে হয় বহু দিন যাবৎ।
পুরুষদের কিছু রাক্ষুসে মনোভাবের কারনে অনেক সময় দেখা যায় যে দাম্পত্য সম্পর্কটি নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যায়। এই সমস্যার মূল কারন হল, দৈহিক মিলন এবং মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন কিছু নেই বললেই চলে। তাই এই বিষয়ে কিছুটা আলোকপাত করা হলো :
স্ত্রীকে প্রথমে চুম্বন না করা :- দৈহিক মিলনের শুরুতেই স্ত্রীর আদরের সাথে চুম্বন না করে যৌনকাতর স্থানগুলোতে চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে প্রকৃত ভালোবাসেন না, শুধুমাত্র দৈহিক চাহিদা মেটাতেই তার কাছে এসেছেন। গভীরভাবে ভালোবেসে স্ত্রীকে চুম্বন দেওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরণ যৌনানন্দময় মিলনের সূচনা করে।
প্রথম থেকেই স্ত্রীর বক্ষ নিয়ে মেতে ওঠা :- বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় পুরুষরা স্ত্রীর বক্ষ নিয়ে মেতে ওঠে। প্রায় সব মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করলে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দমিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়া উচিত।
স্ত্রীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়া :- দৈহিক মিলনের সময় পুরুষদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে, মেয়েদের বক্ষসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। পুরুষদের মূল যৌনকাতর অঙ্গ তাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর। তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে স্বামীর স্পর্শ যায়নি।
একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়া :- পুরুষরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক স্ত্রীর চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়া উচিত।

Comments

Popular posts from this blog

দেখে নিন বিপিএলের পয়েন্ট টেবিল

বিপিএল মানে ঢাকার রাজত্ব। রাজধানীর দলটাই সবচেয়ে বেশি ছড়ি ঘুরিয়েছে বিপিএলে। চারবারের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন তারা, মাঝে একবার কুমিল্লা নিজেদের ঘরে নিয়ে গেছে শিরোপা। এবারও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বেশ প্রত্যয়ের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। এখনো বিপিএলের অনেকটা পথ বাকি। সামনে সমীকরণ অনেক বদলেও যেতে পারে। ঢাকা পর্ব শেষে এবার বিরতি। শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব। তার আগে দেখে নিন বিপিএলে দলগুলো কে কোথায় অবস্থান করছে। দল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই/পরিত্যক্ত পয়েন্ট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৬ ৫ ১ ০/০ ১০ ঢাকা ডায়নামাইটস ৮ ৪ ৩ ০/১ ৯ খুলনা টাইটানস ৭ ৪ ২ ০/১ ৯ সিলেট সিক্সার্স ৮ ৩ ৪ ০/১ ৭ রংপুর রাইডার্স ৬ ৩ ৩ ০/০ ৬ রাজশাহী কিংস ৭ ২ ৫ ০/০ ৪ চিটাগং ভাইকিংস ৬ ১ ৪ ০/১ ৩

Category «পরকিয়া চোদন কাহিনী

Bangla choti golpo রবির বয়স তখন ১৫ যখন সে কমলা আর ওর স্বামীর সাথে ওদের গ্রামের বাড়িতে থাকতে আসে।রবির বাবা-মা দুজনেই একটা দুর্ঘটনাতে মারা যান।ওদের বাড়িতে আগুন লাগে ,guda agun সেই আগুনে ওদের গোটা বাড়ি আর ওনারা জ্বলে ছাই হয়ে যান।কমলার বোন ছিল রবির মা।একমাত্র পরিবার বলতে কমলা choti মাসিই,তাই সে ওদের কাছে চলে আসে।jotil bangla choti শুরুর দিকে রবি একদম চুপচাপ থাকত,নিজের মনেই খেলা করত, কারো সাথে সেমন কথা বলতো না।পরিবারের শোকে তো এরকমই হওয়ার কথা,নিজের বাড়ির কথা হয়তো ওর খুব মনে পড়তো। রবির ১৭ বছর এর জন্মদিনের এক সপ্তাহের মাথায় কমলার স্বামী রাকেশ মারা যায়।মাঠে লাঙ্গল চালাতে গিয়ে একটা আঘাতে ওনার মৃত্যু হয়।হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই সে প্রাণ হারায়।কমলা তখন ৩২ বছরের যুবতি বিধবা, এমনকি রবির মন থেকেও আগের শোকটা মুছে যায়নি। কমলার ভাগ্য ভালো যে রবি তখন তার কাছে ছিলো তাই তাকে তার জমি জায়গা হারাতে হয়নি।তার গড়ন ভালো ছিলো,চাষেবাসে মনও তার ছিলো,সারা বছরের ফসলে তাদের গুজরান হয়ে যেত।বাড়ন্ত বয়েসে খাটাখাটুনির জন্য আরো পেটানো হয়ে যায় রবির শরীর,পেশিতে দৃঢ় তার বাহু।আঠারো বছর পেরিয়ে তাগড...

রোনালদো জিতবেন ব্যালন ডি’অর, নাইকির আর সইছে না তর!

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে আজ বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে নয়টায় শুরু হবে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান। কে জিতবেন ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর এবারের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার? স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ আগেই জানিয়েছে, ব্যালন ডি’অর-জয়ীর নাম ফাঁস হয়ে গেছে! ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকিও জানে সেই বিজয়ীর নাম। আর তাই এবারের বর্ষসেরা খেলোয়াড়টির অর্জনের স্মারক হিসেবে নাইকি সীমিতসংখ্যক বুট তৈরি করেছে, যার নাম ‘কুইন্টো ট্রাইয়ুনফো’, মানে ‘পঞ্চম সাফল্যে বিশেষ সংস্করণ’। বোঝাই যাচ্ছে, পুরস্কারটি কার হাতে উঠতে যাচ্ছে। লিওনেল মেসি আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শোকেসে ট্রফির সংখ্যা যাদের জানা, তাদের এটা সহজেই বোঝার কথা। মেসি ইতিমধ্যেই পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। রোনালদো আজ আইফেল টাওয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে ডেভিড জিনোলার হাত থেকে ট্রফিটা পেলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর পাশে বসবেন। ইউরোপের সংবাদমাধ্যম কিন্তু আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছে, এবার ট্রফিটা রোনালদোর হাতেই উঠছে। নাইকির বিশেষ সংস্করণের বুট সংবাদমাধ্যমের এই নিদানের ভিত্তিকে আরও শক্ত করল। নাইকির সঙ্গে স্পনসর চুক্তি রয়েছে রোনালদোর। রিয়াল মা...