Skip to main content

বিশ্বকাপের চেয়ে এগিয়ে যে সাফল্য

কার্ডিফ সিটি সেন্টারে হাঁটতে হাঁটতে দুই টুর্নামেন্টের বিশেষত্বও নিজের মতো করে বোঝালেন মাশরাফি, “এই টুর্নামেন্টে সেরা ৮ দল খেলছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক। মানও ভালো। তবে বিশ্বকাপ তো বিশ্বকাপ। সেটির নামের ভারই অনেক বেশি। দুটির একটিকে বেছে নেওয়া কঠিন।”

তবু একটিকে বেছে নিতে বললে? অধিনায়ক তবু ভাঙেন না, “যে যার দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে পারে। যার যার নিজের মতের ব্যাপার।”
মাশরাফির নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি কি? কোনটা এগিয়ে? এবার বিপদে পড়ে গেলেন অধিনায়ক। হাসলেন, ভাবলেন একটু। জানিয়েই দিলেন নিজের মত, “আমার কাছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমি-ফাইনালই এগিয়ে…।”
নিজের মতের পক্ষের যুক্তিটাও তুলে ধরলেন অধিনায়ক।
“আমি এটিকে এগিয়ে রাখছি এই গ্রুপের কারণে। অন্য গ্রুপটায় থাকলে হয়ত এগিয়ে রাখতাম না। উপমহদেশের দলগুলির সঙ্গ গ্রুপে থাকলে আমরা জিততেই পারতাম। এই গ্রুপে একটি ম্যাচ জেতাও খুব কঠিন ছিল। সেই গ্রুপ থেকে সেমিতে উঠতে পারা অসাধারণ অর্জন।”
“সত্যি বলতে, আসার আগে আমি ভাবছিলাম, যদি কিছু করা যায় তা হয়তো ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই সম্ভব। ওদের বোলিংটা অন্য দুই দলের তুলনায় একটু দুর্বল মনে হয়েছিল। এখন যদিও দারুণ করছে। তবে আমি বলছি আগের কথা। তখন ভাবিনি নিউ জিল্যান্ডকে হারাতে পারব। কিন্তু আমরা হারিয়েছি, সেটাও আবার জিততেই হবে, এমন চাপ মাথায় নিয়ে।”
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে সৌভাগ্যের ছোঁয়ায় পাওয়া একটি পয়েন্টকে গুরুত্বপুর্ণ মানছেন মাশরাফি। তবে শেষের সমীকরণে নিজেদের কৃতিত্বই বেশি দেখছেন।
“আগেও বলেছিলাম, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১ পয়েন্ট পাওয়া আমাদের জন্য অনেক লাকি হতে পারে। ২০১৫ বিশ্বকাপেও যেটা হয়েছিল। তবে এটা্ও ঠিক, অস্ট্রেলিয়ার ভাগ্যটা তার পরও নিজেদের হাতেই ছিল। শেষ ম্যাচে আমরা নিজেদের কাজটা করেছি। ওরা পারেনি বলেই বাইরে যাচ্ছে।”
২০১৪ সালের শেষ দিকে মাশরাফি নেতৃত্ব পাওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের অসাধারণ সাফল্য যাত্রার শুরু। তবে বিশ্ব আসরের সাফল্য তার পরও একটু আলাদা। দুটি আইসিসি টুর্নামেন্টে স্মরণীয় সাফল্যে নেতৃত্ব দিতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মানছেন মাশরাফি।
“অধিনায়ক হিসেবে এটা বড় অর্জন বলতে পারি। গোটা দলের অর্জন। সবার প্রচেষ্টা্তেই এই সাফল্য। আমার অধিনায়কত্বে এমন দুটি আসরে কোয়ার্টারে, সেমিতে খেলছি আমরা, এটা অবশ্যই বড় পাওয়া।”
বড় পাওয়া বাংলাদেশে ক্রিকেটেরও। বড় পাওয়া এই দেশের। গত আড়াই বছরে বারবার হাসির উপলক্ষ্য এনে দেওয়া দলটি দেশকে আনন্দে ভাসালো আরও একবার।

Comments

Popular posts from this blog

দেখে নিন বিপিএলের পয়েন্ট টেবিল

বিপিএল মানে ঢাকার রাজত্ব। রাজধানীর দলটাই সবচেয়ে বেশি ছড়ি ঘুরিয়েছে বিপিএলে। চারবারের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন তারা, মাঝে একবার কুমিল্লা নিজেদের ঘরে নিয়ে গেছে শিরোপা। এবারও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বেশ প্রত্যয়ের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। এখনো বিপিএলের অনেকটা পথ বাকি। সামনে সমীকরণ অনেক বদলেও যেতে পারে। ঢাকা পর্ব শেষে এবার বিরতি। শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব। তার আগে দেখে নিন বিপিএলে দলগুলো কে কোথায় অবস্থান করছে। দল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই/পরিত্যক্ত পয়েন্ট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৬ ৫ ১ ০/০ ১০ ঢাকা ডায়নামাইটস ৮ ৪ ৩ ০/১ ৯ খুলনা টাইটানস ৭ ৪ ২ ০/১ ৯ সিলেট সিক্সার্স ৮ ৩ ৪ ০/১ ৭ রংপুর রাইডার্স ৬ ৩ ৩ ০/০ ৬ রাজশাহী কিংস ৭ ২ ৫ ০/০ ৪ চিটাগং ভাইকিংস ৬ ১ ৪ ০/১ ৩

অবাঞ্ছিত স্পর্শ, নায়ককে কষিয়ে চড় রাধিকার

অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে মানেই সব সময় আলোচনা-সমালোচনা। কিছুদিন আগে ছোট পোশাকে সমুদ্র সৈকতে হেঁটে সবার নজরে পড়েন। হরহামেশাই আলোচনায় থাকা বলিউডের এ অভিনেত্রী শুটিং সেটে নায়ককে কষিয়ে চড় মেরেছিলেন। সম্প্রতি আরেক বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার এক টকশো’তে এমনটাই জানালেন তিনি। কারণ তার শরীরের হাত দিয়েছিলেন ওই অভিনেতা। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ক্যারিয়ারের শুরুতে ‘প্যাডম্যান’ তারকা রাধিকা আপ্তে একটি তামিল সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে সহ অভিনেতার কাছ অশ্লীল ব্যবহার পেয়েছেন। শুটিংয়ের শুরুর সময় ওই নামী অভিনেতা নাকি আচমকাই তাঁর ঘনিষ্ঠ হতে চাচ্ছিলেন। ওই সময় বিনা অনুমতিতে ওই অভিনেতা রাধিকার পায়ের পাতা স্পর্শ করতে শুরু করেন। রাধিকার অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই ওই অভিনেতা বারবার তাঁকে স্পর্শ করতে শুরু করেন। উপায় না দেখে উপস্থিত সবার সমানে ওই জনপ্রিয় অভিনেতাকে কষিয়ে চড় মারেন ‘অন্তহীন’ ও ‘অহল্যা’ তারকা রাধিকা। এ কাণ্ডে থতমত হয়ে যান সেই দক্ষিণী অভিনেতা। শুটিংয়ের প্রথম দিনই এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল বলে সম্প্রতি একটি টক শো মন্তব্য করেন রাধিকা আপ্তে। ওই টক শোয়ে রাধিকার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা রাজকুমার রাও। সেখানে রাধ...

সেরা ব্রাভো কিন্তু শেষের নায়ক সেই সাইফউদ্দিন

আরেকটি শেষ ওভার, আবারও সাইফউদ্দিনের হাতে বল। মাত্র চার দিন আগে শেষ ওভারে ৩২ রান দিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। আজ ঢাকা ডায়নামাইটসের জয়ের জন্য দরকার ছিল এর চেয়েও কম। আবারও অসীম চাপ, ভেঙে পড়বেন না তো সাইফউদ্দিন? কিসের চাপ। ঠান্ডা মাথায় সব সামলে নিলেন সাইফউদ্দিন। ১২ রানে ম্যাচ জিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসও নিশ্চিত করে ফেলল প্লে অফে ওঠা। ম্যাচসেরার পুরস্কারটা হয়তো ডোয়াইন ব্রাভোর কাছেই গেছে। কিন্তু ম্যাচটা কুমিল্লার দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন সাইফউদ্দিন।   অন্য প্রান্তে উইকেট পতনের মিছিল হলেও সব সামলে রানরেট ধরে রেখেছিলেন জো ডেনলি। ত্রয়োদশ ওভারে দ্বিতীয় স্পেলে এসেই দারুণ এক বলে বোল্ড করলেন ডেনলিকে। ম্যাচ থেকে এক প্রকার ছিটকে পড়ল ঢাকা। কাইরন পোলার্ড ফোঁসফাঁস করেও ছোবল মারতে পারেননি ব্রাভোর কারণে। ঢাকা ইনিংসের মেরুদণ্ড শেষ করে দিয়েছেন ব্রাভো। পোলার্ডের আগেই ফিরিয়েছেন সাকিব ও নারাইনকে। তবু শেষ ওভারে ২১ রানের সমীকরণ পেয়ে গিয়েছিল ঢাকা। প্রথম দুই বলেই দুটি সিঙ্গেল, তৃতীয় বলে জহুরুল ইসলামকে বোল্ড করে দিলেন সাইফউদ্দিন। ড্যারেন স্যামির বিপক্ষে দেওয়া ৩২ রানের দুঃস্বপ্ন মুছতে মাত্র ৪ দিনই সময় ...