Skip to main content

কোহলি-আমিরের ‘ভালোবাসা’ চলছেই


বিরাট কোহলি ও মোহাম্মদ আমির—বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা দুই ক্রিকেটার। একজন ব্যাটসম্যান, আরেকজন বোলার। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন ভারতীয়, অন্যজন পাকিস্তানি। দুজনের মধ্যে দা-কুমড়া সম্পর্ক না হোক, লড়াই-লড়াই একটা ভাব তো থাকা উচিত। কিন্তু এ দুজনের মধ্যে যে তেমন কিছুই দেখা যাচ্ছে না! দুজনেই একে অপরকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন সুযোগ পেলেই।
কদিন আগেই মোহাম্মদ আমিরকে নিয়ে আরেক আমিরের (নায়ক আমির খান) অনুষ্ঠানে প্রশংসায় মেতেছিলেন কোহলি। সেখানে নিজের দেখা সেরা বোলারের নামটা জানিয়েছেন এভাবে, ‘বর্তমান সময়ের বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিরই সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে। বিশ্বের প্রথম দু-তিনজন বোলারের একজন সে। আমার ক্যারিয়ারে মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে কঠিন বোলার। অসাধারণ, খুবই ভালো বোলার ও।’
এমন প্রশংসার উত্তর দিতে সময় নেননি আমিরও। ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, ভালোই লাগে (এমন প্রশংসা শুনতে)। ভালো খেলার পুরস্কার এটা। কোনো সন্দেহ নেই, কোহলি খুব ভালো ব্যাটসম্যান এবং তার প্রশংসা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। আর নিজের ওপর বিশ্বাস করতে পারলে বোলিং আরও ভালো হয়। আমি বহুবার বলেছি, বর্তমানে সে-ই আমার প্রিয় ব্যাটসম্যান। সে খুব শক্ত প্রতিপক্ষ এবং তার বিপক্ষে খেলতে হলে আপনাকেও সে রকম দৃঢ় হতে হবে।’





শুধু পারস্পরিক সম্মানেই যে তাঁদের সম্পর্ক থেমে নেই, সেটা জানিয়েছেন আমির। সুযোগ পেলেই কোহলির কাছ থেকে উপহার বুঝে নেন পাকিস্তানের এই পেসার, ‘আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া খুব ভালো। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আমাকে একটা ব্যাট দিয়েছে, বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতেও দিয়েছিল। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও একসঙ্গে খেলেছি আমরা। আমি যে বছর খেলছি, কোহলি সেবার ভারতের অধিনায়ক ছিল। আমাদের মধ্যে বোঝাপড়াটা তাই বেশ ভালো। ওর ব্যাট আমার খুব পছন্দ, তাই আমি সব সময় চেয়ে নিই। না চাইলেও আমাকে উপহার দেয় সে। কোনো সন্দেহ নেই, আমার কাছে কিছু চাইলে, অবশ্যই সেটা দেব।’
তবে এমন সম্পর্কের পরও মাঠে কোহলিকে একবিন্দু ছাড় দেন না আমির। কারণ, মাঠে নামলে যে বন্ধুত্বের চেয়ে দেশের জয়টাই গুরুত্বপূর্ণ সব ক্রিকেটারের কাছে, ‘মাঠে কোনো বন্ধুত্ব থাকে না। সবাই নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। সবাই দেশের জন্য সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করে। মাঠে পরিকল্পনা থাকে ওকে যত দ্রুত সম্ভব আউট করার। রান তাড়া করায় ও অসাধারণ, চাপে সব সময় ভালো করে। তাই ওকে আউট করা মানেই ম্যাচ পঞ্চাশ ভাগ জিতে যাওয়া। কোহলি খুব ভালো ক্রিকেটার। আমি আশা করি, সে তাঁর দেশ ও ভক্তদের জন্য আরও অনেক রেকর্ড গড়বে।’
তাঁদের দুজনের মধ্যে এমন সম্পর্ক দুই দেশের দর্শকের মধ্যেও দেখতে চান আমির, ‘ভারতীয়রা ক্রিকেট নিয়ে খুব আবেগপ্রবণ, পাকিস্তানিরাও তাই। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির কথাই ভেবে দেখুন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুদ্ধ বেধে গিয়েছিল। এটা ঠিক নয়। ভক্তদের উচিত ক্রিকেটকে সমর্থন করা। এতে দুই দেশের জন্যই ভালো।

Comments

Popular posts from this blog

দেখে নিন বিপিএলের পয়েন্ট টেবিল

বিপিএল মানে ঢাকার রাজত্ব। রাজধানীর দলটাই সবচেয়ে বেশি ছড়ি ঘুরিয়েছে বিপিএলে। চারবারের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন তারা, মাঝে একবার কুমিল্লা নিজেদের ঘরে নিয়ে গেছে শিরোপা। এবারও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বেশ প্রত্যয়ের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। এখনো বিপিএলের অনেকটা পথ বাকি। সামনে সমীকরণ অনেক বদলেও যেতে পারে। ঢাকা পর্ব শেষে এবার বিরতি। শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব। তার আগে দেখে নিন বিপিএলে দলগুলো কে কোথায় অবস্থান করছে। দল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই/পরিত্যক্ত পয়েন্ট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৬ ৫ ১ ০/০ ১০ ঢাকা ডায়নামাইটস ৮ ৪ ৩ ০/১ ৯ খুলনা টাইটানস ৭ ৪ ২ ০/১ ৯ সিলেট সিক্সার্স ৮ ৩ ৪ ০/১ ৭ রংপুর রাইডার্স ৬ ৩ ৩ ০/০ ৬ রাজশাহী কিংস ৭ ২ ৫ ০/০ ৪ চিটাগং ভাইকিংস ৬ ১ ৪ ০/১ ৩

অবাঞ্ছিত স্পর্শ, নায়ককে কষিয়ে চড় রাধিকার

অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে মানেই সব সময় আলোচনা-সমালোচনা। কিছুদিন আগে ছোট পোশাকে সমুদ্র সৈকতে হেঁটে সবার নজরে পড়েন। হরহামেশাই আলোচনায় থাকা বলিউডের এ অভিনেত্রী শুটিং সেটে নায়ককে কষিয়ে চড় মেরেছিলেন। সম্প্রতি আরেক বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার এক টকশো’তে এমনটাই জানালেন তিনি। কারণ তার শরীরের হাত দিয়েছিলেন ওই অভিনেতা। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ক্যারিয়ারের শুরুতে ‘প্যাডম্যান’ তারকা রাধিকা আপ্তে একটি তামিল সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে সহ অভিনেতার কাছ অশ্লীল ব্যবহার পেয়েছেন। শুটিংয়ের শুরুর সময় ওই নামী অভিনেতা নাকি আচমকাই তাঁর ঘনিষ্ঠ হতে চাচ্ছিলেন। ওই সময় বিনা অনুমতিতে ওই অভিনেতা রাধিকার পায়ের পাতা স্পর্শ করতে শুরু করেন। রাধিকার অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই ওই অভিনেতা বারবার তাঁকে স্পর্শ করতে শুরু করেন। উপায় না দেখে উপস্থিত সবার সমানে ওই জনপ্রিয় অভিনেতাকে কষিয়ে চড় মারেন ‘অন্তহীন’ ও ‘অহল্যা’ তারকা রাধিকা। এ কাণ্ডে থতমত হয়ে যান সেই দক্ষিণী অভিনেতা। শুটিংয়ের প্রথম দিনই এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল বলে সম্প্রতি একটি টক শো মন্তব্য করেন রাধিকা আপ্তে। ওই টক শোয়ে রাধিকার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা রাজকুমার রাও। সেখানে রাধ...

সেরা ব্রাভো কিন্তু শেষের নায়ক সেই সাইফউদ্দিন

আরেকটি শেষ ওভার, আবারও সাইফউদ্দিনের হাতে বল। মাত্র চার দিন আগে শেষ ওভারে ৩২ রান দিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। আজ ঢাকা ডায়নামাইটসের জয়ের জন্য দরকার ছিল এর চেয়েও কম। আবারও অসীম চাপ, ভেঙে পড়বেন না তো সাইফউদ্দিন? কিসের চাপ। ঠান্ডা মাথায় সব সামলে নিলেন সাইফউদ্দিন। ১২ রানে ম্যাচ জিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসও নিশ্চিত করে ফেলল প্লে অফে ওঠা। ম্যাচসেরার পুরস্কারটা হয়তো ডোয়াইন ব্রাভোর কাছেই গেছে। কিন্তু ম্যাচটা কুমিল্লার দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন সাইফউদ্দিন।   অন্য প্রান্তে উইকেট পতনের মিছিল হলেও সব সামলে রানরেট ধরে রেখেছিলেন জো ডেনলি। ত্রয়োদশ ওভারে দ্বিতীয় স্পেলে এসেই দারুণ এক বলে বোল্ড করলেন ডেনলিকে। ম্যাচ থেকে এক প্রকার ছিটকে পড়ল ঢাকা। কাইরন পোলার্ড ফোঁসফাঁস করেও ছোবল মারতে পারেননি ব্রাভোর কারণে। ঢাকা ইনিংসের মেরুদণ্ড শেষ করে দিয়েছেন ব্রাভো। পোলার্ডের আগেই ফিরিয়েছেন সাকিব ও নারাইনকে। তবু শেষ ওভারে ২১ রানের সমীকরণ পেয়ে গিয়েছিল ঢাকা। প্রথম দুই বলেই দুটি সিঙ্গেল, তৃতীয় বলে জহুরুল ইসলামকে বোল্ড করে দিলেন সাইফউদ্দিন। ড্যারেন স্যামির বিপক্ষে দেওয়া ৩২ রানের দুঃস্বপ্ন মুছতে মাত্র ৪ দিনই সময় ...