Skip to main content

৪৪ বছরে বিশ্বকাপ খেলবেন যিনি

ইশাম এল হাদারিকে তুলনা করতে পারেন মিসরীয় ফুটবলের গাছপাথর হিসেবে। নিজের দেশের ফুটবলে উত্থান দেখেছেন। দেখেছেন আরব-বসন্ত, ফুটবলের পিছিয়ে পড়া। কোচ আসতে দেখেছেন, যেতে দেখেছেন। একের পর এক প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে আফ্রিকান নেশনসের অন্যতম সফল দেশটি। ক্যারিয়ারে প্রায় সব ধরনের অর্জন থাকলেও একটি অপূর্ণতা রয়েছে এল হাদারির মনে। সেটাই ঘুচিয়ে নিতে চান ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে।
এখনো বিশ্বকাপে খেলা হয়নি তাঁর। ১৯৯৬ সালে যখন তাঁর জাতীয় দলে অভিষেক হচ্ছে তখন তাঁর বর্তমান সতীর্থদের অনেকেরই জন্ম হয়নি। ২০০০-এর সময়টাতে আফ্রিকায় রাজত্ব করা মিসরীয় ফুটবল দলের অপরিহার্য সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর দেশজুড়ে বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ফুটবল তার গুরুত্ব হারিয়েছে। দেশের হয়ে ১৫৬টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। মিসরের পক্ষে চারবার আফ্রিকান নেশনসের শিরোপা জিতেছেন তিনি। এর মধ্যে ২০০৬, ২০০৮ ও ২০১০ সালে টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৭ আসরে, তাঁর ৪৪তম জন্মদিনের দুদিন পর, মিসরের হয়ে আবারও গোলবারের নিচে দাঁড়িয়েছেন এল হাদারি। সবচেয়ে বেশি বয়সে আফ্রিকান নেশনসে খেলা ফুটবলার হয়েছেন তিনি।
এল হাদারি জানেন, অচিরেই খেলাটির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। হয়তো এ কারণেই ক্যারিয়ারে তাঁর চাওয়াটা তিনি খুব ভালো জানেন। এ বছরের শুরুতে তিনি বলেছেন, ‘আমার ফুটবল ক্যারিয়ারে আমি প্রায় সবকিছুই জিতেছি। ৩৭টি ট্রফি জিতেছি, মনে রাখার মতো কিছু মুহূর্ত পেয়েছি, যেমন ২০০৯ সালে কনফেডারেশনস কাপে ইতালির বিপক্ষে আমাদের জয়। আমার অপূর্ণতা একটাই, বিশ্বকাপে খেলা।’ ফুটবল শেষ পর্যন্ত তাঁর সামনে সেই সুযোগও করে দিয়েছে।
গত মাসে মোহাম্মদ সালাহর পেনাল্টি গোলে মিসর যখন চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করছে, তখনো গ্লাভস হাতে মাঠে ছিলেন তিনি। ইনজুরি বাগড়া না দিলে বিশ্বকাপেও খেলবেন। আর রাশিয়া বিশ্বকাপে মাঠে নামলেই ছাড়িয়ে যাবেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ফারিদ মনড্রাগনকে। ২০১৪ বিশ্বকাপে ৪৩ বছর বয়সে মাঠে নেমেছিলেন, সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার তিনিই।
দলের বোঝা নন মোটেই, আবেগ কিংবা রেকর্ডের জন্য তাঁকে মিসর ফুটবল দলে রাখা হয় না। পুরো বাছাইপর্বেই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এমনকি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সময়ও (৪৯ বছর) খেলা চালিয়ে যেতে চান এই ‘যুবা

Comments

Popular posts from this blog

দেখে নিন বিপিএলের পয়েন্ট টেবিল

বিপিএল মানে ঢাকার রাজত্ব। রাজধানীর দলটাই সবচেয়ে বেশি ছড়ি ঘুরিয়েছে বিপিএলে। চারবারের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন তারা, মাঝে একবার কুমিল্লা নিজেদের ঘরে নিয়ে গেছে শিরোপা। এবারও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বেশ প্রত্যয়ের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। এখনো বিপিএলের অনেকটা পথ বাকি। সামনে সমীকরণ অনেক বদলেও যেতে পারে। ঢাকা পর্ব শেষে এবার বিরতি। শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব। তার আগে দেখে নিন বিপিএলে দলগুলো কে কোথায় অবস্থান করছে। দল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই/পরিত্যক্ত পয়েন্ট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৬ ৫ ১ ০/০ ১০ ঢাকা ডায়নামাইটস ৮ ৪ ৩ ০/১ ৯ খুলনা টাইটানস ৭ ৪ ২ ০/১ ৯ সিলেট সিক্সার্স ৮ ৩ ৪ ০/১ ৭ রংপুর রাইডার্স ৬ ৩ ৩ ০/০ ৬ রাজশাহী কিংস ৭ ২ ৫ ০/০ ৪ চিটাগং ভাইকিংস ৬ ১ ৪ ০/১ ৩

অবাঞ্ছিত স্পর্শ, নায়ককে কষিয়ে চড় রাধিকার

অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে মানেই সব সময় আলোচনা-সমালোচনা। কিছুদিন আগে ছোট পোশাকে সমুদ্র সৈকতে হেঁটে সবার নজরে পড়েন। হরহামেশাই আলোচনায় থাকা বলিউডের এ অভিনেত্রী শুটিং সেটে নায়ককে কষিয়ে চড় মেরেছিলেন। সম্প্রতি আরেক বলিউড অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার এক টকশো’তে এমনটাই জানালেন তিনি। কারণ তার শরীরের হাত দিয়েছিলেন ওই অভিনেতা। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ক্যারিয়ারের শুরুতে ‘প্যাডম্যান’ তারকা রাধিকা আপ্তে একটি তামিল সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে সহ অভিনেতার কাছ অশ্লীল ব্যবহার পেয়েছেন। শুটিংয়ের শুরুর সময় ওই নামী অভিনেতা নাকি আচমকাই তাঁর ঘনিষ্ঠ হতে চাচ্ছিলেন। ওই সময় বিনা অনুমতিতে ওই অভিনেতা রাধিকার পায়ের পাতা স্পর্শ করতে শুরু করেন। রাধিকার অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই ওই অভিনেতা বারবার তাঁকে স্পর্শ করতে শুরু করেন। উপায় না দেখে উপস্থিত সবার সমানে ওই জনপ্রিয় অভিনেতাকে কষিয়ে চড় মারেন ‘অন্তহীন’ ও ‘অহল্যা’ তারকা রাধিকা। এ কাণ্ডে থতমত হয়ে যান সেই দক্ষিণী অভিনেতা। শুটিংয়ের প্রথম দিনই এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল বলে সম্প্রতি একটি টক শো মন্তব্য করেন রাধিকা আপ্তে। ওই টক শোয়ে রাধিকার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা রাজকুমার রাও। সেখানে রাধ...

সেরা ব্রাভো কিন্তু শেষের নায়ক সেই সাইফউদ্দিন

আরেকটি শেষ ওভার, আবারও সাইফউদ্দিনের হাতে বল। মাত্র চার দিন আগে শেষ ওভারে ৩২ রান দিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। আজ ঢাকা ডায়নামাইটসের জয়ের জন্য দরকার ছিল এর চেয়েও কম। আবারও অসীম চাপ, ভেঙে পড়বেন না তো সাইফউদ্দিন? কিসের চাপ। ঠান্ডা মাথায় সব সামলে নিলেন সাইফউদ্দিন। ১২ রানে ম্যাচ জিতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসও নিশ্চিত করে ফেলল প্লে অফে ওঠা। ম্যাচসেরার পুরস্কারটা হয়তো ডোয়াইন ব্রাভোর কাছেই গেছে। কিন্তু ম্যাচটা কুমিল্লার দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন সাইফউদ্দিন।   অন্য প্রান্তে উইকেট পতনের মিছিল হলেও সব সামলে রানরেট ধরে রেখেছিলেন জো ডেনলি। ত্রয়োদশ ওভারে দ্বিতীয় স্পেলে এসেই দারুণ এক বলে বোল্ড করলেন ডেনলিকে। ম্যাচ থেকে এক প্রকার ছিটকে পড়ল ঢাকা। কাইরন পোলার্ড ফোঁসফাঁস করেও ছোবল মারতে পারেননি ব্রাভোর কারণে। ঢাকা ইনিংসের মেরুদণ্ড শেষ করে দিয়েছেন ব্রাভো। পোলার্ডের আগেই ফিরিয়েছেন সাকিব ও নারাইনকে। তবু শেষ ওভারে ২১ রানের সমীকরণ পেয়ে গিয়েছিল ঢাকা। প্রথম দুই বলেই দুটি সিঙ্গেল, তৃতীয় বলে জহুরুল ইসলামকে বোল্ড করে দিলেন সাইফউদ্দিন। ড্যারেন স্যামির বিপক্ষে দেওয়া ৩২ রানের দুঃস্বপ্ন মুছতে মাত্র ৪ দিনই সময় ...