Skip to main content

‘এক হাতে’ রংপুরকে জেতালেন গেইল

১২তম ওভারের চতুর্থ বলটা কিছুটা ঝুলিয়ে করেছিলেন আফিফ হোসেন। ক্রিস গেইল করলেন কী, সপাটে এক হাতে ব্যাট চালিয়ে বলকে পাঠালেন মিড উইকেট বরাবর গ্যালারিতে! এক হাতেই ছক্কা! ম্যাচটা যাঁরা দেখেছেন, তাঁরা জানেন, গেইল আসলে একাই বিপিএল থেকে ছিটকে ফেলেছেন খুলনা টাইটানসকেও।
বিপিএলের ‘এলিমিনেটর’ এ ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৬৭ রান করেছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা। মিরপুরের উইকেট বলছিল, এই রান কঠিন হবে রংপুরের জন্য। কিন্তু গেইল যেদিন ব্যাটিং করেন, সেদিন বধ্যভূমিতেই রানের ফোয়ারা ছোটাতে পারেন। ৫১ বলে অপরাজিত ১২৬ রানের ইনিংস খেলে ২৮ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখেই জেতালেন রংপুর রাইডার্সকে। এই জয়ে রংপুর চলে গেল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। বিদায় নিল খুলনা। 
রংপুরকে শুধু দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে তোলাই নয়, এবারের বিপিএলকে গেইল উপহার দিয়েছেন প্রথম সেঞ্চুরিও। সেটাও যেনতেন সেঞ্চুরি নয়, দলের ৭৪ শতাংশ রান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। ৬ বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ১৪টি ছক্কা! এর আগে ৮ ম্যাচে গেইল ছক্কাই মেরেছিলেন ১৫টি। আজ এক ইনিংসেই এতগুলো ছক্কা! গেইল তো আর এমনিতেই নিজেকে ‘সিক্স মেশিন’ বলেন না!
 ক্যারিবীয় এই ওপেনারের ঝড়ে সতীর্থদের তেমন কিছু করতে হয়নি। বলা ভালো, সুযোগ পাননি। গেইলের সঙ্গে ৩৬ বলে ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ মিথুন।
গেইলের সঙ্গে ওপেনিংয়ে সোহাগ গাজীকে পাঠিয়ে কিছুটা চমকে দিয়েছিলেন রংপুর অধিনায়ক মাশরাফি। সেই জুয়া কাজে লাগেনি। কিন্তু প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে খুলনার পেসার আবু জায়েদকে বিশাল ছক্কা মেরে গেইল বুঝিয়ে দেন, বড় ঝড় আসছে! পরের ওভারে মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে একাই আদায় করেছেন ১৬ রান। তৃতীয় ওভারে জোফ্রা আর্চারের হাতে বল তুলে দেন মাহমুদউল্লাহ। ওই ওভারে ব্রেন্ডন ম্যাকক্যালাম আর সোহাগ গাজিকে তুলে নেন আর্চার। তখনো খুলনাকেই ফেবারিট মনে হচ্ছিল। কিন্তু ঈশান কোনো দেখা দেওয়া ঝড়ের পূর্বাভাসটাই সত্যি হলো।
চতুর্থ ওভার থেকে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত শুধুই গেইল ঝড়! মিথুনের সঙ্গে ৭৬ বলে ১৪৬ রানের বিস্ফোরক জুটিতে তাঁর একারই ১২৬, যেখানে ১০৮ রানই এসেছে বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারি থেকে!
তার আগে ব্যাটিংয়ে নেমে খুলনার কোনো ব্যাটসম্যানই বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি। ন্যূনতম ত্রিশোর্ধ্ব রানের ইনিংসও কেউ খেলতে পারেনি। সর্বোচ্চ ২৯ রান এসেছে আরিফুল হকের ব্যাট থেকে। ২৮ রান করেন নিকোলাস পুরান এবং কার্লোস ব্রাফেটের অবদান ৯ বলে ২৫। রংপুরের হয়ে ২ উইকেট নেন লাসিথ মালিঙ্গা। তবু ১৬৭ অনেক বড় ইনিংস। 
কিন্তু ১৫.২ ওভারে খেলা শেষ করার পর গেইল বলতে পারতেন, রানটা আরেকটু বেশি করতে পারলে না, হে!

Comments

Popular posts from this blog

দেখে নিন বিপিএলের পয়েন্ট টেবিল

বিপিএল মানে ঢাকার রাজত্ব। রাজধানীর দলটাই সবচেয়ে বেশি ছড়ি ঘুরিয়েছে বিপিএলে। চারবারের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন তারা, মাঝে একবার কুমিল্লা নিজেদের ঘরে নিয়ে গেছে শিরোপা। এবারও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বেশ প্রত্যয়ের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। এখনো বিপিএলের অনেকটা পথ বাকি। সামনে সমীকরণ অনেক বদলেও যেতে পারে। ঢাকা পর্ব শেষে এবার বিরতি। শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব। তার আগে দেখে নিন বিপিএলে দলগুলো কে কোথায় অবস্থান করছে। দল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই/পরিত্যক্ত পয়েন্ট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৬ ৫ ১ ০/০ ১০ ঢাকা ডায়নামাইটস ৮ ৪ ৩ ০/১ ৯ খুলনা টাইটানস ৭ ৪ ২ ০/১ ৯ সিলেট সিক্সার্স ৮ ৩ ৪ ০/১ ৭ রংপুর রাইডার্স ৬ ৩ ৩ ০/০ ৬ রাজশাহী কিংস ৭ ২ ৫ ০/০ ৪ চিটাগং ভাইকিংস ৬ ১ ৪ ০/১ ৩

Category «পরকিয়া চোদন কাহিনী

Bangla choti golpo রবির বয়স তখন ১৫ যখন সে কমলা আর ওর স্বামীর সাথে ওদের গ্রামের বাড়িতে থাকতে আসে।রবির বাবা-মা দুজনেই একটা দুর্ঘটনাতে মারা যান।ওদের বাড়িতে আগুন লাগে ,guda agun সেই আগুনে ওদের গোটা বাড়ি আর ওনারা জ্বলে ছাই হয়ে যান।কমলার বোন ছিল রবির মা।একমাত্র পরিবার বলতে কমলা choti মাসিই,তাই সে ওদের কাছে চলে আসে।jotil bangla choti শুরুর দিকে রবি একদম চুপচাপ থাকত,নিজের মনেই খেলা করত, কারো সাথে সেমন কথা বলতো না।পরিবারের শোকে তো এরকমই হওয়ার কথা,নিজের বাড়ির কথা হয়তো ওর খুব মনে পড়তো। রবির ১৭ বছর এর জন্মদিনের এক সপ্তাহের মাথায় কমলার স্বামী রাকেশ মারা যায়।মাঠে লাঙ্গল চালাতে গিয়ে একটা আঘাতে ওনার মৃত্যু হয়।হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই সে প্রাণ হারায়।কমলা তখন ৩২ বছরের যুবতি বিধবা, এমনকি রবির মন থেকেও আগের শোকটা মুছে যায়নি। কমলার ভাগ্য ভালো যে রবি তখন তার কাছে ছিলো তাই তাকে তার জমি জায়গা হারাতে হয়নি।তার গড়ন ভালো ছিলো,চাষেবাসে মনও তার ছিলো,সারা বছরের ফসলে তাদের গুজরান হয়ে যেত।বাড়ন্ত বয়েসে খাটাখাটুনির জন্য আরো পেটানো হয়ে যায় রবির শরীর,পেশিতে দৃঢ় তার বাহু।আঠারো বছর পেরিয়ে তাগড...

রোনালদো জিতবেন ব্যালন ডি’অর, নাইকির আর সইছে না তর!

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে আজ বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে নয়টায় শুরু হবে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান। কে জিতবেন ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর এবারের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার? স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ আগেই জানিয়েছে, ব্যালন ডি’অর-জয়ীর নাম ফাঁস হয়ে গেছে! ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকিও জানে সেই বিজয়ীর নাম। আর তাই এবারের বর্ষসেরা খেলোয়াড়টির অর্জনের স্মারক হিসেবে নাইকি সীমিতসংখ্যক বুট তৈরি করেছে, যার নাম ‘কুইন্টো ট্রাইয়ুনফো’, মানে ‘পঞ্চম সাফল্যে বিশেষ সংস্করণ’। বোঝাই যাচ্ছে, পুরস্কারটি কার হাতে উঠতে যাচ্ছে। লিওনেল মেসি আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শোকেসে ট্রফির সংখ্যা যাদের জানা, তাদের এটা সহজেই বোঝার কথা। মেসি ইতিমধ্যেই পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। রোনালদো আজ আইফেল টাওয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে ডেভিড জিনোলার হাত থেকে ট্রফিটা পেলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর পাশে বসবেন। ইউরোপের সংবাদমাধ্যম কিন্তু আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছে, এবার ট্রফিটা রোনালদোর হাতেই উঠছে। নাইকির বিশেষ সংস্করণের বুট সংবাদমাধ্যমের এই নিদানের ভিত্তিকে আরও শক্ত করল। নাইকির সঙ্গে স্পনসর চুক্তি রয়েছে রোনালদোর। রিয়াল মা...